শেষ ব্লগ গুলি

CV নিয়ে সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে। lovemystudy.com

CV নিয়ে সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে

CV-সিভি নিয়ে সকল প্রশ্নের উত্তর।

CV নিয়ে সকল প্রশ্নের উত্তর একসাথে


CV নিয়ে আমাদের মাঝে কিছু কমন প্রশ্ন থাকে যার উত্তর আমরা খুজে পাইনা বা কাউকে বলতে ও পারিনা তাই আজকে আমরা CV নিয়ে সকল প্রশ্নের সমাধান নিয়ে এসেছি যদি আপনি CV নিয়ে সমাধান না পান আজকের ব্লগ থেকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কে কমেন্ট করে জানান আমরা আপনার কমেন্ট এর উত্তর দিয়ে দিবো।

মিলিয়ে দেখুন তো CV নিয়ে এ সকল প্রশ্নের মাঝে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে কিনা যার উত্তর আপনি এখনো পান নি যদি মিলে যায় আপনার প্রশ্ন টি তাহলে আজকে তার উত্তর ও পেয়ে যাবেন।

১। আমি CV কখন বানাবো।

CV এমন একটি জিনিস যা সংক্ষিপ্ত আকারে একটি কাগজে আপনার পরিচয় বা আপনার যাবতীয় সকল তথ্য বহন করে। যতো আগে CV বানাবেন আপনার জন্য তত ভালো তার কারন CV এমন একটি জিনিস তা নিয়মিত আপডেট করতে হয় আর তার জন্য আপনার সকল তথ্য গুলো নিয়মিত আপডেট করতে হবে। ধরেন আপনি সবে মাত্র পড়া লেখা শেষ করেছেন হটাঠ করে আপনার একটি চাকরির জন্য আবেদন করতে হচ্ছে কিন্তু আপনার কাছে CV নেই তাই তাড়াহুড়ো করে একটি CV বানিয়ে পেলছেন কিন্তু আপনার CV তে অনেক ভুল বা কিছু তথ্য মিসিং আছে তার জন্য আপনাকে চাকরির ভাইবাতে ডাকা হলোনা। তখন আপনি কি করবেন। আফসোস করবেন ইস যদি আমি আগে থেকে CV টা ভালো ভাবে বানাতে পারতাম তাহলে হয়তো আমাকে ভাইবাতে ডাকতো। তাই আমি বলবো আপনি CV আপনার ক্যারিয়ারের সুরুতে বানিয়ে পেলুন যাতে করে যদি কোনো ভুল থাকে আপনি তা সুদ্রিয়ে নিতে পারবেন এবং আপনার পড়ালেখার সুরুতে আপনার CV সাজানোর জন্য তেমন কিছুই থাকেনা তবে আপনি যদি আগে থেকে CV বানিয়ে নিন তাহলে যতো গুলো মিসিং পার্ট আছে তা সাথে সাথে CV তে আপডেট করতে পারবেন। তাই যখন এস এস সি শেষ করে কলেজে যাবেন তখনি একটি CV বানিয়ে নিন।

২। CV কেনো দরকার।

আপনি যদি আমাদের আগের ব্লগ গুলো পড়ে থাকেন তাহলে জানবেন একটি CV থাকা কেনো দরকার। যদি আপনি কোনো একটি কোম্পানিতে চাকরির জন্য আবেদন করতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে তাদের কাছে আপনার CV টি প্রেরণ করতে হবে। এর পর যদি তারা আপনার CV দেখে ইম্পপ্রেস হয় তাহলে আপনাকে ভাইবা বোর্ডে ডাকবে। এছাড়াও প্রতিতি মানুষের একটি সম্পুন্য ও সংক্ষিপ্ত জীবন বিত্তান্ত থাকা দরকার কারন একটি CV আপনার লাইফের সকল ভালো বিষয় গুলো বহন করে থাকে তাই অবশ্যই একটি CV থাকা দরকার।

৩। CV ফরম্যাট কেমন হবে।

CV ফরম্যাট বিভিন্ন ধরনের হতে পারে সবাই যার যার ইচ্ছে অনুযায়ী CV ফরম্যাট টি সাজিয়ে নেয়। তবে সব সময় CV ফরম্যাট টি সুন্দর ও স্মার্ট রাখার চেষ্টা করবেন CV তে গ্রামার ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন ভুল কোনো কিছু দিবেন না এবং আপনার যে সকল যোগ্যতা আছে সুদু সে গুলো দিবেন বাড়তি কোনো কিছু দিবেন না।

৪। CV কত পেজে বানাবো।

প্রথমত বলে রাখি আপনি কত পেজের CV বানাচ্ছেন তা বড়ো কথা নয় আপনার CV কেমন করে লিখেছেন বা আপনার CV তে দেওয়া সকল তথ্য কি ঠিক আছে কি না তা হচ্ছে মূল বিষয়। তবে যারা নতুন বা প্রেশার তারা ১ পেজের CV বানাতে পারেন তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ২ পেজের CV স্মার্ট হয় নতুন রা চাইলে ২ পেজের CV বানাতে পারেন তবে এর থেকে বেশি নয়। যাদের ৩-৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে আপনাদের জন্য বেস্ট হবে ৩ পেজের CV যদি আপনি বেশি কিছু অর্জন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ৪ পেজের ও করতে পারেন। যাদের ১০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা আছে তারা ৪ পেজের বানাতে পারেন বা যাদের এক্সট্রা কোয়ালিটি আছে তারা ৫ পেজে ও নিতে পারেন তবে ভালো হবে ৪ পেজে। যাদের ১৫-২০ বছরের এক্সপেরিয়েন্স আছে তারা ৫ পেজের করতে পারেন। এভাবে প্রতি ১০ বছরের জন্য এক পেজ করে বাড়াতে পারেন।

৫। CV ফরম্যাট কোথায় পাবো।

আজকাল এমন কোনো জিনিস নেই যেটা পাওয়া অনেক কঠিন। চারিদিকে খুজ করলে সহজে যে কোনো কিছুই পাওয়া যায়। আপনি গুগলে সার্চ করলেও অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন যেখান থেকে ফ্রিতে অনেক গুলো CV ফরম্যাট পেয়ে যাবেন। আমরা নিয়মিত CV ফরম্যাট আপলোড করে থাকি আপনাদের জন্য আপনারা চাইলে আমাদের কে ফলো করতে পারেন আমাদের কাছে অনেক গুলো CV ফরম্যাট আছে যে গুলো আপনাদের কে আমরা ফ্রিতে দিচ্চি CV ফরম্যাট পেতে এখানে ক্লিক করুন। তাছাড়া আপনি যদি আপনার পছন্দ মত CV ফরম্যাট বানাতে চান আমাদের মাধ্যমে ও বানাতে পারেন অল্প খরছে।

৬। CV কখন পরিবর্তন করবো।

CV কখন পরিবর্তন করবো এমন হাজারো প্রশ্ন করে থাকে অনেকে। আপনি যেমন নিয়মিত পরিবর্তন হচ্ছেন তেমনি আপনার CV টা ও পরিবর্তন করুন নিয়মিত। তবে যারা নতুন ভাবে CV বানিয়েছেন তারা ৬ মাস পর পর CV পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন। আর প্রতিটি ভালো কোম্পানিতে আবেদন করার সময় CV আপডেট করে নিবেন। এভাবে CV এর বয়স ৫ বছর হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত পরিবর্তন করতে থাকুন যাদের CV এর বয়স অনেক হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে তেমন একটি পরিবর্তন এর দর কার হয়না। তবে নতুন যায়গায় আবেদন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিবর্তন করে নিবেন।

৭। CV তে এক্সপেরিয়েন্স কি দিবো।

এই প্রশ্নটা অনেক বেশি পুরনো ও কমন প্রশ্ন। অনেকে প্রশ্ন করে স্যার আমার CV তে এক্সপেরিয়েন্স কি দিবো আমার তো কোনো পূর্বের এক্সপেরিয়েন্স নেই। আমি বলবো না থাকুক তার পর ও আপনি এক্সপেরিয়েন্স দিবেন। এক্সপেরিয়েন্স বলতে সুদু আপনার কাজের এক্সপেরিয়েন্স কে বুঝানো হয়না। আপনি আপনার এক্সপেরিয়েন্স এর যায়গায় আপনার ইন্টারনির এক্সপেরিয়েন্স লিখতে পারেন। আপনি যদি আপনার ছাত্র জীবনে কোনো প্রজেক্টে অংশগ্রহন করে থাকেন তা দিতে পারেন। যদি আপনি আপনার ছাত্রজীবনে কোনো সামাজিক সংগটন এ অংশগ্রহন করে থাকেন তা দিতে পারেন এইরুকুম আপনার স্টুডেন্ট লাইফে আপনার পড়ালেখার পাশাপাশি আপনি যে কাজ গুলো করেছেন তার বিবরণ দিতে পারেন সে কাজ গুলোই আপনার এক্সপেরিয়েন্স।

৮। CV রেফারেন্স কি দিব।

অনেকে প্রশ্ন করে CV তে রেফারেন্স কি দিবো আমার তো কোনো রেফারেন্স নাই। রেফারেন্স নাই বললে তা হবে ভুল। সব সময় মনে রাখবেন CV তে ২ টি রেফারেন্স দেওয়ার। রেফারেন্স হিসেবে আপনার ইন্সটিটিউটের আপনার পছন্দের টিচার কে দিতে পারেন অর্থাৎ যার সাথে আপনার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এবং ২য় দিতে পারেন যদি আপনি কোনো সামাজিক সংগটনে কাজ করে থাকেন সেখান কার ঊর্ধ্বতন কোন ব্যাক্তিকে দিতে পারেন। এছাড়া আপনি যেখানে জব করতেছেন সেখান কার আপনার ডিপার্টমেন্ট এর হেড কে দিতে পারেন এতে করে আপনার জব হওয়ার চান্স বেড়ে যাবে।

৯। এক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটিস কি দিব।

আরেকটি কমন প্রশ্ন অনেকে করে থাকে এক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটিস কি দিবো আমিতো কিছুই বুঝতেছিনা। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আপনি আপনার পড়ালেখার বাহিরে কি করেন ভালো ক্রিকেট খেলেন, কিছু একটি তৈরি করতে পারেন আলেদা কিছু জানেন বা কোনো রিসার্চ টিমের সাথে আছেন, অথবা যে কোনো ধরনের সামাজিক সংগটনের সাথে আছেন এই সকল বিষয় গুলো আপনি এক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটিস এ দিবেন ব্যাস হয়ে গেলো সমাধান।

১০। এচিভমেন্ট কি দিব।

আরেকটি কমন প্রশ্ন এচিভমেন্ট কি দিব আমারতো কোনো অর্জন এ নাই। আপনি কি আপনার স্টুডেন্ট লাইফে কোনো কিছু অর্জন করেন নি আপনি কি সামাজিক ভাবে কোনো কিছু অর্জন করেন নি আচ্ছা এসব বিষয় আপনি কিছু অর্জন করতে পারেন নি আপনি কোনোদিন খেলাধুলায় কিছু অর্জন করতে পারেন নি আপনি কি আপনার পড়ালেখার পাশাপাশি কোনো প্রজেক্ট এ অংশগ্রহন করেন নি তা দিয়ে দিন আপনার এচিভমেন্ট এ ব্যাস হয়ে গেলো সমাধান। যদি আপনি এসব কিছুই লিখতে পারতেছেন না আপনার কোনো অর্জন এ নাই তাহলে আর কি লিখবেন না লিখে কিছু অর্জন করে পেলুন।



CV লেখার সময় আমরা যেসব ভুল করে থাকি।|

১১। ক্যারিয়ার অবজেক্টিভ কি লিখবো।

আপনি যদি একটি সিভি হাতে নেন তাহলে সবার প্রথমে ক্যারিয়ার অবজেক্টিভ সম্পর্কে লেখা থাকে তা দেখে অনেক সময় চাকরিদাতা আপনাকে প্রথমে সহজ ভাবে গ্রহন করে যাতে করে আপনার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। মনে রাখবেন ক্যারিয়ার অবজেক্টিভ এ লেখার সময় আপনি কি কি কাজে অবিজ্ঞ আপনি কি কি কাজ করতে পারেন আপনি কিভাবে আপনার কাজ গুলো সহজে গোচিয়ে নিতে পারবেন কিভাবে আপনি কোম্পানির উন্নয়ন মূলক কাজে নিজেকে উজাড় করতে পারবেন সে সব বিষয় লিখবেন এটা লিখবেন না আমি অনেক হার্ড ওয়াক করতে পারি আমি আমি অনেক ধরজ্যশিল একটি মানুষ অনেক পরিশ্রম করতে পারি এসব লিখবেন না এসব বিষয় চাকরিদাতা ভালো ভাবে নেয়না তারা আপনার মুখে আপনার অভজ্ঞতার কথা সুনতে চায় আপনার সুনাম নয়।



৫০ টি CV-সিভি ফরম্যাট ফ্রিতে ডাউনলোড করুন

চাকরির আবেদন করার সময় ইমেইলে CV পাঠানোর ৭টি নিয়ম|

কোন মন্তব্য নেই

ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য শিগ্রই আপনার কমেন্ট এর উত্তর জানিয়ে দেওয়া হবে।