শেষ ব্লগ গুলি

সব সময় নিজেকে হাসি খুশি রাখার ১১ টি টিপস?

সব সময় নিজেকে হাসি খুশি রাখার ১১ টি টিপস

নিজেকে হাসি খুশি রাখার ১১ টি টিপস?

কে না চায় সব সময় সুখে হাসি খুশিতে থাকতে আমরা মানুষ জাতি এ এমন সব সময় সুখে থাকতে চাই, কিন্তু আমরা পারিনা, মানসিক ভাবে সুখে থাকলে হয়তো ফাইনান্সিয়াল প্রব্লেমে থাকি। তবে আজকের আর্টিকেল টি পড়লে কিছুটা হলেও মানসিক ভাবে সুখে থাকার উপায় খুজে পাবেন।

কর্মক্ষেত্রে নিজেকে খুশি রাখার ১০ টি টিপস|

১। নিজেকে কখনো অন্যের সাথে মেলাতে যাবেন না।

তবে বেশিরভাগ সময় দেখা যায় আমাদের পরিবারের মানুষ জন ও কাছের বন্ধু বান্দব রাই আমাকে আপনাকে অন্যের সাথে তুলনা করে থাকে। ভালো কিছু করলেও তার মতো হইছো বা খারাপ কিছু করলেও বলে সেই খারাপ মানুষ টির মতো হইছো আরো অনেক কিছু মাঝে মাঝেতো আমরা নিজেরাই হতাশায় থাকি নিজের কাছে মনে হই আমার অভ্যাস মনে হয় ওই লোকের মতো হয়ে গেছে। বা আমি এ কাজ টি করতে পারতেছিনা অন্য জন তা পারতেছে আমাকে ও তার মতো হতে হবে এসব বিষয় গুলো আমাদের মাথায় সব সময় ঘুরপাঁক খায় এটা করবেন না কে কি করতেছে কার অবস্থান কি সে দিকে তাকাবেন না। যে যাই বলুক আপনি কখনো অন্যের মতো হতে পারবেন না আপনি আপনার মতো থাকবেন। সফলতা আপনার কাজেই আসবে কাউকে ফলো করলে যদি সফল হওয়া যেতো তাহলে আজ পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষী সফল ব্যবসায়ী হতো তাই নিজের মতো করে এগোতে থাকুন আপনি কারো মতো নন আপনি আপনার মতো।

২। সকল কাজ একসাথে করতে যাবেন না।

আচ্ছা ধরুন আপনি মাসে ১৫দিন খাবেন ঘুমাবেন আর বাকি ১৫দিন কাজ করবেন এটা কি করতে পারবেন। না কখনোই পারবেন না কারন প্রতিদিন ঘুম আর জেগে থাকার একটা লিমিট আছে আপনি চাইলে টানা ২০-৩০ ঘন্টা কাজ করতে ও পারবেন না তার ও একটা লিমিট থাকে। হা পারবেন তবে আপনি ধরে রাখেন নিচ্ছিত অসুস্থ হয়ে যাবেন। এটা আপনি ও জানেন। তাই কর্মজীবন হোক বা পারসোনাল লাইফ হোক যে কোনো কাজ, একসাথে সব করতে যাবেন না আপনার দিনে যতো কাজ ততো টুকু করেন তবে কম ও করবেন না তাতে আপনার কাজের প্রেশার বেড়ে যাবে যা অন্যদিন আপনাকে বেশি করতে হবে। প্রতিদিন এর নিয়মিত রুটিন মেনে চলুন সকল।

৩। প্রতিদিনের রুটিন তৈরি করুন।

ধরুন আজকে আপনার সকালে কাজ নেই তাই ১০ টায় ঘুম থেকে উঠলেন ১১ টায় নাস্তা করলেন এভাবে আজকে ৩ টায় দুপুরের খাওয়ার ও খেলেন মন বড়ে বিকালে ও ঘুমালেন আবার সারা রাত জেগে বলিউড মুভি দেখলেন। পড়ের দিন সকালে যখন অফিস যাবেন তখন ঠিক টাইমে আর উঠে অফিস যেতে পারলেন না। একবার ভাবুন না আপনার লাইফ টা কেমন জেনো এলোমেলো হয়ে গেলোনা। আর আপনি বলুন এমন এলোমেলো লাইফ কি আপনার বোরিং লাগেনা। তাই বলবো যাই করুন তার আগে সুন্দর একটি দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করুন আপনার জীবনের অর্ধেক সাফল্য মনে করুন চলে আসছে আপনার সকল টার্গেট পুরন করতে পারবেন যদি একটি সুন্দর দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করেন তাই দেরি না করে আজই একটি সুন্দর দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করে পেলুন।

৪। কখনো তর্কে জড়াবেন না।

তর্কে জড়ানো আর জেনে শুনে নিজের মাথায় নিজে পাথর দিয়ে আঘাত করার সমান। কারন তর্কে যদি আপনি হেরে জান তখন অনেক বেশি রাগ হয় এবং কষ্ট ও লাগে এছাড়াও আপনার সময় লস আজ কাল তো মাঝে মাঝে টিভিতে নিউজ হয় চায়ের দোকানে খেলায় কে জিতবে এই তর্কে নিয়ে কয়েকজন এখন হাসপাতালে। আর বুদ্দিমান রা কখনো কারো সাথে তর্কে জড়ায়না আপনি এই ব্লগ টি পড়তেছেন আপনি নিচ্ছয় সুস্থ স্বাভাবিক একজন মানুষ তাই বলবো নিজ থেকে কখনো কারো সাথে তর্কে জড়াতে যাবেন না।

৫। কারো প্রতি রাগ হলে।

একজন মানুষ সব সময় সবার মন রক্ষা করতে পারেনা। আপনার আচরণ হয়তো সবার ভালো না ও লাগতে পারে বা আপনার কাছে ও সবার আচরণ ভালো না লাগতে পারে তাই মাঝে মাঝে আমাদের মধ্যে রাগ সৃষ্টি হয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমাদের কাছের মানুষ দের প্রতি রাগ একটু বেশি সৃষ্টি হয় তাই মাঝে মাঝে মন চায় তার থেকে ধুরে সরে যাই এভাবে অনেক কাছের মানুষের থেকে আজ আমরা অনেক দূরে। রাগ যে কোনো কারনে যে কারো প্রতি হতে পারে তবে রাগ হওয়ার মানে এই নয় তার থেকে দূরে সরে জাবো। তবে আপনার রাগ যদি নিয়ন্ত্রন না করতে পারেন। তা হলে কারো প্রতি যদি রাগ হয় তার থেকে সাময়িক দূরে সরে জান তবে তাকে তা বুজতে দিবেন না তাহলে আপনার রাগ নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে এবং সব কিছু আগের মতো হয়ে যাবে। দূরে সরে যাওয়া মানে এই নয় আপনার মোবাইল অফ করে রাখবেন বা তার কল রিসিভ করবেন না। সাময়িক কিছুক্ষণের জন্য তার থেকে আলেধা থাকুন চিন্তা করুন কেনো তার প্রতি রাগ হলো চিন্তা করুন তার প্রতি রাগ করা আপনার উচিত হয়েছে কিনা।

৬। সবসময় জিততে যাবেন না।

আচ্ছা যদি আপনাকে প্রতিদিন খাওয়ার মেনুতে এক তরকারি দেওয়া হয় যা আপনাকে দিনের পর দিন মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর নিয়মিত খেতে হয়। আপনার কি বিরক্ত লাগবেনা। হা লাগবে সুধু বিরক্ত নয় অনেক বেশি, খাওয়ার প্রতি ও আর কোনো রুচি এ থাকবেনা ঠিক তেমনি সব সময় সকল জায়গায় জিততে যাবেন না জিততে জিততে একদিন এতো বেশি টায়ার্ড হবেন তখন আর পৃথিবী আপনার কাছে ভালো লাগবেনা যদি আভাব না থাকে কখনো মানুষ অভাবের মূল্য বুঝবেনা ঠিক তেমনি যদি কখনো না হারেন জয়ের আনন্দ ও বুঝবেন না তাই হারুন মাঝে মাঝে হেরে দেখুন না হারার মাঝে ও অনেক সময় আনন্দ পাওয়া যায়।

৭। কাজ ও জীবনের মাঝে ব্রেক দিন।

আমাদের মধ্যে অনেকে দেখি এতো পরিমানে কাজ করে ঠিক ভাবে বাসায় যাওয়ার সময় থাকেনা পরিবার কে তেমন একটা সময় দিতে পারেনা এমন ও অনেক ব্যক্তি আছে যারা তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কখন কথা বলে তা ও মনে করতে পারেনা। তাদের জীবন সুধু কাজ আর কাজ ভাই বলুন তো এটা কি আপনার জীবন কি করবেন এ টাকা দিয়ে যদি টাকা খরচ করার সুযোগ না পান। হা আপনার পরিবার আছে তার জন্য আপনার অনেক টাকা দরকার ঠিক আছে মানলাম তবে আপনি যে পরিবারের জন্য টাকা আয় করতেছেন সে পরিবার থেকে ধুরে সরে যাচ্ছেন না তো বা পরিবার আপনাকে দূরে ঠেলে দিচ্চেনা তো পরিবারের সবার সাথে আপনার সম্পর্কের অভনতি হচ্ছেনা তো। আর কতো করবেন যে জীবনে সুখে থাকার জন্য টাকার পিচনে দোরাচ্ছেন সে জীবনে যদি সুখ না পান কি দরকার সে টাকার আর টাকাই যদি সকল সুখের মুল হতো তাহলে মানুষ পরিবার আত্মীয় স্বজন নিয়ে না ভেবে টাকার পিচনে থাকতো। তাই বলবো মাঝে মাঝে কাজের মাঝে ব্রেক দেন ছুটির দিন ঘুলোতে পরিবার কে সময় দিন সবার খবর নিন নিজেকে ও একটা ব্রেক দিন সকল কিছু থেকে তাহলে আপনার মনোবোল ভালো থাকবে এবং কাজ করার চাহিদা আগের থেকে আরো বাড়বে।

৮। নিজেকে ট্রিট দিন।

নিজেকে কখনো এক ঘরে করে রাখবেন না মাঝে মাঝে নিজেকে ট্রিট দিন। যদি বন্ধুবান্দব না থাকে আপনাকে সংঘ দেওয়ার কেউ না থাকে চিন্তিত হবেন না নিজের সাথে নিজেই আড্ডা দিন। মাঝে মাঝে কোথাও ঘুরতে যান ভালো লাগবে। নতুন নতুন জায়গায় জান নতুন কিছু জানতে পারবেন ভালো লাগবে। একা একা রেস্টুরেন্টে খেতে জান নিজের প্রছন্দের সকল খাওয়ার ঘুলো খান অনেক বেশি ভালো লাগবে। মাঝে মাঝে একা একা সপিং এ জান নিজের কাছে অন্যরুকুম একটা অনুভূতি জন্মাবে। তাই বলি নিজেকে মাঝে মাঝে ট্রিট দিন কেউ নাইতো কি হইছে।

৯। অন্যের সমালোচনা করবেন না।

যদি কখনো সুনতে পান কেউ আপনার সমালোচনা করতেছে তখন আপনার কাছে কেমন লাগবে বলুন তো জানি অনেক খারাপ লাগবে। এবার বলুন তো আপনি কি এমন করেন কারো পিচনে সমালোচনা করেন। হা আমাদের মধ্যে একটি রিতি রয়ে আছে আমরা সুযোগ পেলে অন্যের সমালোচনা করতে থাকি। কখনো এটা করবেন না এতে আপনি হয়তো সাময়িক আনন্দিত হবেন তবে কেউ একজন অন্য জনের কাছে সারা জীবনের জন্য খারাপ মানুষ হিসেবে পরিচিত হয়ে গেলো। আর এতে করে একটা সময় আপনি অন্যের সমালোচনা করতে করতে নিজেই নিজের অজান্তে মানুষের কাছে সমালোচনা কারি হিসেবে পরিচিত হবেন তখন আপনি যতো জনের সম্মান নষ্ট করেছেন তাদের থেকে আপনি বেশি অসম্মানিত হবেন। এবার বলুন লস কার। পারলে অন্যের সুনাম করুন নিজের সুনাম হবে। অন্যকে সম্মান করুন নিজে সম্মানিত হবেন এবং সকলের কাছে ভালো মানুষ হিসেবে থাকতে পারবেন তাই বলবো কখনো কারো নামে সমালোচনা করবেন না।

১০। অলসতা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

অলসতা এ কথাটার সাথে আমরা সবাই ভালো ভাবে পরিচিত। আমাদের সফলতার পিচনে একমাত্র বাধা সুধু অলসতা। যদি আপনি সফল হতে চান আপনার মানসিক শক্তি যতোটুকু প্রয়োজন তার থেকে ১০ ঘুণ বেশি প্রয়োজন পরিশ্রম। আর যতক্ষন না আপনি আপনার সব টুকু না দিচ্ছেন ততক্ষন আপনি সফলতার মুখ দেখবেন না তাই কোনো কাজে অলসতা করবেন না অলসতা করছেন তো কিছু হবেনা ফলে হতাশায় থাকবেন মন ভালো থাকবেনা যারা যতো বেশি অলস তারা ততো বেশি হতাশ থাকে তাদের মানসিক অবস্থা কখনো ভালো থাকেনা তাই কখনো অলসতা করবেন না।

১১। নিজের প্রতি যত্নশীল হোন।

আমি বলবো আপনি সব কিছুর আগে নিজের প্রতি যত্নশীল হোন যদি আপনি নিজের প্রতি যত্নশীল না হোন আপনি কিভাবে অন্যের প্রতি আপনার পরিবারে প্রতি যত্নশীল হবেন আপনি আগে আপানাকে ঠীক রাখেন দেখেবন আসে পাশের সব কিছুই ঠীক আছে তাই বলবো আগে নিজের প্রতি যত্নশীল হোন এতে আপনার মন মানসিকতা সব ঠীক থাকবে কাজ কর্মে ও পাবেন এক্সট্রা এনার্জি যা আপনার সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহাজ্য করবে। নিজের প্রতি যত্ন নিন পরিবারে প্রতি যত্ন নিন দেখবেন মন ভালো আছে আর মন ভালো আছে তো সব ভালো আছে ভালো থাকবে।

ফেসবুক ব্যবহারে ৭টি সতর্কতা ?

লিঙ্কডইন একাউন্ট ব্যবহারের ৫টি নিয়ম |

অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের ব্লগ টি পড়ার জন্য। আমরা নিয়মিত এমন সব ব্লগ লিখে থাকি যা থেকে মানুষ একটু হলেও উপকৃত হতে পারে। যদি আপনার এ ব্লগ টি ভালো লেগে থাকে তাহলে নিছে একটা ফলো করে দেন এবং সাবস্ক্রাইব করে রাখুন যাতে করে আমাদের সকল নিউজ আপডেট সাথে সাথে পেয়ে যাবেন।

আবারো ধন্যবাদ।

কোন মন্তব্য নেই

ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য শিগ্রই আপনার কমেন্ট এর উত্তর জানিয়ে দেওয়া হবে।